online income bd,income,online help,how to be a filencer,

Sunday, October 30, 2016

যে ৭টি কারনে আপনার সন্তানকে ভিডিও গেইম খেলতে উৎসাহ দিবেন


যে ৭টি কারনে আপনার সন্তানকে ভিডিও গেইম খেলতে উৎসাহ দিবেন

ভিডিও গেমস আর অভিভাবক যেন একে অন্যের চিরশত্রু। গেমস খেলতে দেখলে বিরক্ত হন না এমন বাবা-মা বলতে গেলে আমাদের দেশে প্রায় নেই। এই গেমস খেলার ফলে সন্তানের লেখাপড়া খারাপ হয়, ঘুম হয় না, চোখে সমস্যা দেখা দেয় এরকম নানান অভিযোগ বাবা-মা রা করে থাকেন। কিন্তু আজ আমি আপনাদের ভিডিও খেলার ৭টি উপকারীতার কথা বলবো। এই ৭টি কারনের জন্য আপনার সন্তানকে এখন থেকে গেমস খেলতে নিষেধ নয় বরং আরো বেশি উৎসাত দিবেন আশা করি। সময় থাকলে আপনার সন্তানের সাথে আপনি নিজেও মাল্টিপ্লেয়ার মোডে গেইম খেলতে বসে পড়ুন !

১. জীবনে যেকোন সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে সাহায্য করেঃ

আপনার সন্তান যদি ভিডিও গেমস বেশী খেলে তবে সে তার জীবনে চলার পথে বড় বড় সিদ্ধান্তগুলো অন্যদের চেয়ে অনেক দ্রুত নিতে পারবে। এছাড়া তার সিদ্ধান্তগুলো সঠিক হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কেননা গেইম খেলার সময় খুব অল্প সময়ের মাঝে কি করতে হবে তার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হলেই গেইম ওভার হয়ে যাবে। এজন্য সিদ্ধান্ত নিতে হয় খুব দ্রুত কিন্তু সাবধানে। এভাবেই গেমাররা এই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারটিতে পটু হয়ে ওঠে গেম খেলার চর্চা করতে করতেই।

২. দৃষ্টিশক্তি প্রখর করেঃ

এই পয়েন্টটি দেখে নিশ্চয়ই অবাক হয়েছেন ! এতদিন জেনে এসেছেন ভিডিও গেইম খেললে চোখের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। আপনার সন্তানকে বলে এসেছেন যে, "ভিডিও গেইম বেশি খেললে নষ্ট হয়ে যাবে। অন্ধ হয়ে যাবা। তখন অন্ধ ফকিরের মত রাস্তায় ভিক্ষা করতে হবে কিন্তু"। কিন্তু না, ভিডিও গেইম আসলেই দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।



Ontario's McMaster University এর  এক সাইকোলজি রিসার্চে বের হয়ে আসে এক আজব তথ্য। সাইকোলজিস্ট Dr. Daphen Maurer আবিষ্কার করেন যে, ফার্স্ট পারসন শ্যুটিং গেইমগুলো যারা খেলে তাদের দৃষ্টিশক্তি অন্যদের তুলনায় দ্বিগুন প্রখর হয়ে থাকে। 'মেডাল অফ অনর' বা 'কল অফ ডিউটি' এর মত ফার্স্ট পারসন শ্যুটিং গেইমগুলো খেলার ফলে আপনি বাস্তব জীবনে দুটি চোখ দিয়ে চারদিকে যেভাবে দেখেন সেভাবেই গেমের চরিত্র হিসেবে নিজেকে দেখবেন। তাই আপনার চোখ বাস্তব জীবনে যেভাবে দেখে সেভাবেই কাজ করবে। এই চর্চার ফলে আপনার দৃষ্টিশক্তি আরো প্রখর হয়ে উঠবে।

৩. চিন্তাশক্তি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করেঃ

যেকোন গেইম খেলতেই চিন্তা করার প্রয়োজন হয়। একটি গেইম খেলার সময় প্রতিটি নতুন পদক্ষেপ নিতে হয় চিন্তা করে। চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হলেই আপনি গেমে আর উপরের লেভেলে যেতে পারবেন না। ফলে আপনাকে বার বার চেষ্টা করতে হবে। এভাবে আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। একটি বড় কাজ কিভাবে অনেক কম সময়ে করা যায় তা শেখায় ভিডিও গেমস।

এছাড়া কিছু গেইম রয়েছে যা চিকিৎসকেরা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে রোগীদের খেলতে বলেন। গেইম খেলার ফলে আপনার চোখ ও হাতের মধ্যকার সামঞ্জস্য খুব ভালো হয়ে ওঠে। যেকোন কঠিন কাজ কিভাবে বিকল্প পথে সহজে ও কম সময়ে করা যায় তাও শিখিয়ে দেয় ভিডিও গেমস। রিসার্চে দেখা গেছে যারা ভিডিও গেইম খেলে তারা অন্যদের তুলনার যেকোন কাজ ২৭% দ্রুত করতে পারে এবং অন্যদের চেয়ে সেই কাজে ভুল হবার সম্ভাবনা ৩৭% পর্যন্ত কমে যায়।

৪. বিষন্নতা ও অন্যান্য মানসিক রোগ থেকে মুক্তি দেয়ঃ

যারা মাঝে মাঝেই বিষন্নতায় ভোগেন ভিডিও গেইম খেললে তাদের বিষন্ন ভাব কমে যায়। গেইম খেলার সময় আপনি যখন এক লেভেল থেকে অন্য লেভেলে যান তখন আপনার নিজের উপর আত্নবিশ্বাস বেড়ে যায়। এভাবেই যারা হীনমন্যতায় ভোগে তাদের আত্নবিশ্বাস বাড়াতে ভিডিও গেইমের বিকল্প নেই।



এক গবেষনায় দেখা গেছে, যারা ভিডি গেইম খেলে তাদের মানসিক চাপ অন্যদের তুলনায় ১৮% কমে যায়। এছাড়া বিভিন্ন মানসিক রোগে চিকিৎসকেরা ভিডিও গেইম খেলতে বলেন।


৫. রোগ থেকে মুক্তিঃ

জটিল কিছু রোগ থেকেও মুক্তি পেতে সাহায্য করে এই ভিডিও গেইম। পার্কিনসন্স রোগে আক্রান্ত রোগীদের গেইম খেলতে বলা হয়। এতে হাতের আঙ্গুলের ক্রিয়ার ফলে তাদের জড়তা কেটে যায়। নটিংহ্যাম ইউনিভার্সিটির এক রিসার্চে বের হয়ে আসে 'Attention Deficit Disorder' এ যে সন্তানেরা ভোগে তাদের মনোযোগ বাড়াতে ভিডিও গেইম সাহায্য করে।

৬. ইতিহাস ও ভূগোল সম্পর্কে জানতে উৎসাহ দেয়ঃ

একেক ভিডিও গেইম একেক দেশের কাহিনীর উপর গড়ে ওঠে। এসব গেইম খেলার মাধ্যমে অন্যান্য দেশের ইতিহাস ও ভৌগলিক অবস্থান, অন্য দেশের মানুষের জীবনযাত্রা এমনকি ভাষা পর্যন্ত শেখা যায় খেলতে খেলতে।



'Assassins Creed' সিরিজের গেমগুলো গেমারদের ইতিহাস সম্পর্কে এতই আগ্রহী করে তোলে যা অনেক ইতিহাস শিক্ষকও পারেন না। প্রিন্স অফ পার্সিয়া, কল অফ ডিউটি, এইজ অফ এম্পায়ারস এর মত গেইমগুলো ইতিহাস ও ভূগোল সম্পর্কে প্রচুর তথ্য দিয়ে থাকে।

৭. ব্যাথা থেকে মুক্তিঃ

যেকোন ব্যাথা থেকে মুক্তি পেতে ভিডিও গেইম সাহায্য করে। গেইম খেললে ব্যাথা থেকে মনোযোগ সরে যায়। আপনার মস্তিষ্ক তখন গেইমে মনোযোগ দেয়। ফলে ব্যাথা কম অনুভব হয়। আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে গেইম খেলার ফলে তাদের ব্যাথা ৫০% কমে গেছে। ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনের সাইকোলজিস্টরা একটি বিশেষ গেইম আবিষ্কার করেছেন যা খেলার ফলে রোগীদের যন্ত্রনা অনেকাংশে কমে যায়। এই গেইম এখন অনেক হাসাপাতালে রোগীদের খেলতে দেওয়া হয় প্রতিদিনের ওষুধের মতই। আপনার দাদী-নানীর বাতেঁর ব্যাথা থাকলে তাদের নিয়ে গেইম খেলতে বসে পড়তে পারেন !

অনেক ধন্যবাদ এত কষ্ট করে আমার লেখা পড়ার জন্য। এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নিন যে, আপনার সন্তানকে ভিডিও গেইম খেলতে মানা করতে থাকবেন নাকি আরো বেশি আগ্রহী করে তুলবেন?   







Share:

জেনে নিন ওয়েব হোস্টিং কি ?

জেনে নিন ওয়েব হোস্টিং কি ?

আজ আমি ওয়েব হোস্টিং নিয়ে আলোচনা করবো, যারা ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে জানেন না তাদের জন্য আমার আজকের এই পোস্ট।
মনে করুন, আপনি একজন ওয়েব ডেভেলপার। web-hosting
আপনি আপনার কম্পিউটার এ একটি ওয়েব সাইট তৈরি করলেন।
এখন আপনার ওয়েবসাইটটি সকলের নিকট প্রদর্শন করাতে.চান,
তা কিভাবে করবেন ?

Share:

টুইটার বুটস্ট্রাপ কি? আসুন জেনে নেই

টুইটার বুটস্ট্রাপ কি? আসুন জেনে নেই..

টুইটার বুটস্ট্রাপ কিছু টুলসের মিলিত রূপ যা ওয়েবসাইট ও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরিতে প্রয়োগ করা হয়। এইচটিএমএল ও সিএসএস দিয়ে ডিজাইন, ফর্ম, বাটন, চার্ট, নেভিগেশন, স্লাইডশো ইত্যাদি তৈরিতে টুইটার বুটস্ট্রাপের জুড়ি নেই। এটি সাথে জাভাস্ক্রিপ্টও রয়েছে। যার ফলে অনেক সুন্দর সুন্দর ডিজাইন খুব সহজেই তৈরি করা যায়। আগস্ট ২০১১ সালে এটি প্রথম ওপেন-সোর্স হিসেবে প্রকাশ করা হয়। টুইটার ফ্রেমওয়ার্ক সাহায্যে Mark Otto ও Jacob Thornton এই দুইজন তৈরি করেন।
সুবিধা সমূহ:
অনেক ডিজাইন তৈরি করা আছে যার ফলে অল্প সময়ে, কম পরিশ্রমে একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করা সম্ভব
জাভাস্ক্রিপ্ট ও সিএসএসে যদি খুব বেশি ধারণা না থাকে তবে টুইটার বুটস্ট্রাপ দিয়ে সহজে কাজ করা যেতে পারে
যেহেতু একটি কমন সিএসএস ও জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল ব্যবহার করছেন, তাই একটি কাজে একাধিক জন কাজ করা সম্ভব
প্রায় সব ব্রাউজারই এটি সমর্থন করে (IE এর মতো ফালতু ব্রাউজারের ক্ষেত্রে বরাবরে মতই একটু কিন্তু আছে)
সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি রেসপনসিভ ওয়েবসাইট বা ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরিতে অসাধারণ এবং ওয়েব ডিজাইনারদের প্রথম পছন্দ (রেসপনসিভ বলতে মোবাইল, ট্যাবলেট, চতুষ্কোণ, প্রশস্ত যে কোনো স্ক্রিনের সাথে মিলিয়ে ওয়েবসাইট বা ওয়েব এপ্লিকেশনটিকে প্রদর্শন করে)
HTML5 ও CSS3 সমর্থন করে
জাভাস্ক্রিপ্ট, এজাক্স ও জেকোয়ারীর সমর্থন থাকার জন্য অনেক জটিল জটিল ডিজাইন খুব সহজেই করা সম্ভব


Share:

ফ্রিলান্সারদের ১০টি অভ্যাস গড়ে তোলার দরকার

ফ্রিলান্সারদের ১০টি অভ্যাস গড়ে তোলার দরকার

নিজেকে প্রচার করুন আপনি যখন শুরু করলেন তখন আপনাকে কেউ চিনে না। আপনি আপনার পরিচিতি আপনার পাবলিক প্রোফাইলগুলোতে এমন কি আপনার ঘরের দরজায় লাগিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটা মনে করলে চলবে না যে অচিরেই কেউ আপনার দরজায় এসে কড়া নাড়বে। বরং, আপনাকে প্রতিনিয়ত

নিজের প্রচার করতে হবে। এটা এমন একটা বিষয় যা বেশিরভাগ মানুষের জন্য বিরক্তিকর। কিন্তু এটাই হচ্ছে টিকে থাকার এবং এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম উপায়। এইজন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হল- বিভিন্ন গ্রুপ, পেজ এবং অন্যান্য কমিউনিটিতে যুক্ত
হন, এমন ইভেন্টে যান যেখানে আপনি আপনার উপযুক্ত ক্লায়েন্ট পাবেন, এরকম আরও অনেক কিছু।
প্রতিদিন লিখুন/ ডিজাইন করুন আমি CPA Elite ফোরামে কোন এক গ্রাফিক ডিজাইনারের সাথে পরিচিত।
সে CPA Elite এ যুক্ত
হওয়ার কিছুদিন পর এই ফোরামে তার পরিচিত
সবাইকে অফার করেছে যে যার যার প্রয়োজন সে তাকে তাকে একটা করে ফ্রিতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির লোগো ডিজাইন করে দিবে। যেই কথা সেই কাজ। আমার এক বড় ভাইও একটা কাজ করিয়ে ছিলেন।
এবং আমি দেখলাম কাজটার মান যথেষ্ট ভালো। ভাবুন তো যাদের সে ফ্রি কাজ করে দিয়েছিল তাদের কখনো লোগো ডিজাইনার হায়ার করার দরকার হলে তার কথা কি একবার ভাববে না? সুতরাং বুজতেই পারছেন, আপনার হাতে কাজ না থাকলেও আপনি কাজ করুন।
নিজের জন্য হলেও করুন ।
আর সবথেকে ভালো হয় তার মত
কারো কারো ফ্রি কাজ করে দিন। এতে আপনার প্রচারের কাজও হয়ে যাবে।

সবসময় উপাস্থাপনা সুন্দর এবং স্বচ্ছ করুন এই বিষয়টা সব ক্ষেত্রেই থাকা উচিত। ধরুন আপনার অফিসের বস আপনাকে একটা আনঅফিসিয়াল কাজ দিয়েছে। আপনি হয়তো ভাবছেন এটা আর গুছিয়ে করার কি আছে। কাজটা করে দিলেই তো হল।
তাই আপনি একটা ওয়ার্ড ফাইলে এলোমেলোভাবে কাজ করে দিয়ে দিলেন, কোন ফরমেটিং করলেন না, কোন মার্জিন দিলেন না। এইক্ষেত্রে আপনি হয়তো অনেক পরিশ্রম করে ভালোভাবেই কাজটা করেছিলেন।
কিন্তু আপনার উপস্থাপনা থেকে মনে হবে আপনি কাজটা দায় সারা করেছেন। তাই কখনো উপাস্থাপনায় পাঞ্জলতার কথা ভুলে যাবেন না। মনে রাখবেন যাই করেন না কেন কাজটি পচন্দ করার জন্য কেউ যখন প্রথম চোখ বুলায় তখন প্রথম বিবেচ্য বিষয়ই হচ্ছে এটার বাহ্যিক অবয়ব।
একাধিক আয়ের উৎস নির্ধারণ যখন আপনি নতুন কেউ আপনাকে চেনে না।
সেই সময় আপনার আর তাদের মাঝে থাকে একটা ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেস (odesk.com, freelancer.com, elance.com). এখন আপনি কিছুদিন পর odesk এ বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেলেন। কিন্তু ইতোমধ্যে আপনার চাহিদার পরিবর্তন হয়ে গেছে। আপনি এখন ভাবলেন যে ডিজাইন করে তা এনভাটো তে বিক্রি করবেন। একটা কাজ করবেন আর সারা মাস ঘুমাবেন। তাই ভেবে আপনি যদি odesk ছেড়ে দেন তাহলে তা হবে মস্ত বড় বোকামি।
কারন একটার পর একটা ডিজাইন জমা দিয়ে ৬ মাসে যখন আপনার একটাও ডিজাইন টিকবে না ঐদিকে তখন odesk এও আপনার জনপ্রিয়তা শেষ। তাই অন্য কিছু ভেবে আগেরটাকে বাদ দেওয়া যাবে না।
একটা হাতে রেখেই আরেকটাতে হাত দিবেন।
স্বাধীনতার অসৎ ব্যাবহার করবেন না আমরা সবাই জানি যে ফ্রিলান্স স্বাধীন পেশা।
কিন্তু সেই সাধিনতার এতোটা ব্যাবহার করবেন না যে যাতে আপনার ক্যারিয়ার শুরু হবার আগেই শেষ হয়ে যায়।
অনেকে আছেন যারা আওয়ারলি কাজের টুল চালিয়ে রেখে দিব্বি ভাতও খেয়ে নেন। মনে রাখবেন চোরের দশ দিন আর গ্রেহস্থের একদিন। এটা নিশ্চিত থাকেন যে এইধরনের অভ্যাস শুধরে না নিলে অচিরেই আপনিও শেষ সাথে আপনার ক্যারিয়ারও শেষ।
নিয়মানুবর্তী হতেই হবে প্রত্যেক স্বাধীন পেশায় এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হয়। স্বাধীন পেশায়, কোন চাপ নেই তাই নিজের যখন যা খুশি তাই করে গেলে শেষে এসে দেখবেন কিছুই করা হয়ে উঠেনি। বিশেষ করে যারা কোন টেকনিক্যাল বা ক্রিয়েটিভ কাজ করেন তারা দৈনিক হাতে ধরে বেশ কিছুটা সময় নতুন জিনিস শিখবেন। নইলে স্রোতের সাথে থাকা আপনার জন্য কঠিন হয়ে যাবে।
সবসময় হাসিখুশি থাকুন এই একটা বিষয় ফ্রিলান্সারদের কখনো বলতে হয় না। প্রায় সব ফ্রিলান্সাররাই ইতিবাচক এবং আশাবাদী হয়ে থাকেন। এবং চারপাশ সম্পর্কে তাদের অভিযোগ খুব কমই থাকে। আর তারা নিজের বেছে নেওয়া পেশাকে নিজের জন্য উপযুক্ত
এবং মনের মত মনে করেন। তাই এই জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতিও তারা সবসময় কৃতজ্ঞ থাকেন।
আর তাই জীবন সম্পর্কে যাদের অনেক অভিযোগ তাদেরকে বলে রাখি এটা ফ্রিলান্সারদের সাধারন অভ্যাসের মধ্যে অনুপস্থিত
এবং তাদের এটা প্রয়োজনও হয় না। আপনার ক্লায়েন্ট, আশেপাশের মানুষ কার কাছ থেকে কি পাননি হিসাব বাদ দিন। যেহেতু আপনি ফ্রিলান্সার আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে এই মহামূল্যবান রত্ন পেয়েছেন তার হিসাব করুন।

নিয়মিত প্রকৃতির কাছে যান ফ্রিলান্সাররা সাধারনত বেশিরভাগ সময় বাসায় বা অফিসে কম্পিউটার নিয়েই থাকেন যাতে তাদের অসুস্থ
হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই প্রতিদিন কিছুটা সময় রুটিন করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, কিংবা বাড়ির পাশের পার্কে গিয়ে পাখিদের ডাক শুনে আসুন।
দেখবেন মনটা অনেক সতেজ থাকবে। তাতে কাজ করার সময় কাজের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং কাজের মান ভালো হবে।
জীবন থেকে কিছু বিষয় সরিয়ে দিন আপনি হয়তো আগে খেলা দেখতেন, কিংবা বন্ধুদের সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা মারতেন, কিংবা অনেক বেশি বই পড়তেন। এর কোনটাই খারাপ না।
তবে আপনার দায়িত্ব এখন অনেক বেড়ে যাবে।
তাই আপনি আগের মত সবদিকে সময় দিতে গেলে বোকামি করবেন। আমি বলছিনা যে একেবারে ছেড়ে দিবেন। তবে বন্ধুদের সাথে আড্ডা কমিয়ে দিন, রাত জেগে বা সারা দিন বসে বসে টেস্ট ক্রিকেট দেখার কোন দরকার নেই।
খুব বেশি ইচ্ছে হলে দু,একদিন দেখতে পারেন। তবে অভ্যাস করে দেখবেন না। এই ধরনের আরও অনেক ভালো বিষয় আছে যেগুলো থেকে সরে না আসলে আপনি প্রচুর কাজ করতে পারবেন না। তবে মাঝে মাঝে রুটিন বাদ দিয়ে চলাও খুব প্রয়োজনীয়।
যেকোনো কাজ সময় মত শেষ করুন আগে হয়তো আপনি একদিনের কাজ তিনদিনে করতেন। কিন্তু ফ্রিলান্সার হিসেবে এই ধরনের ভাববেনও না। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করতেই হবে। আজকের কাজ কালকের জন্য রেখে দিলে কালকের কাজ কখন করবেন? এর বাইরেও সময় বাঁচানোর চেষ্টা করুন। তবে কাজের কোয়ালিটি ঠিক রেখে

Share:

ফ্রীল্যন্সিং সম্পর্কে আগে ভালভাবে জেনে নিন


ফ্রীল্যন্সিং সম্পর্কে আগে ভালভাবে জেনে নিন


বর্তমানে বাংলাদেশের অলিতে গলিতে আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টার আর ফেসবুক ট্রেনিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। অনেক ট্রেনিং সেন্টার নামমাত্র কোর্স ফী নিয়ে কিভাবে স্টুডেন্টদের প্রশিক্ষণ দেয় সেটাই বুঝা যাচ্ছে না, মাত্র ৪-৫ হাজার টাকায় একজন স্টুডেন্ট কে ৩০ টা ক্লাসে ৩০ ঘন্টা সময় দিলে ১ঘন্টা সময়ের দাম মাত্র ১০০-১২০/= টাকা, মানে প্রায় ১.৫ ডলার। অর্থাৎ তারা অনলাইন থেকে আয় করতে পারছে না বলেই ট্রেনিং করাচ্ছে।
বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে যারা উচ্চ হারে প্রশিক্ষন ফী নিয়েও স্টুডেন্টদের কোর্স করানোর পর তাদের কোন গাইড-লাইন দিতে পারছে না।
অনেকে একটার পর একটা বিভিন্ন কোর্স করেও নিজের কর্মের ব্যবস্থা করতে পারছে না।
কেন এ রকম হচ্ছে ? এই প্রশ্নের উত্তর খোজা থেকে বেশী গুরুত্ত্বপূর্ণ হল আমরা নিজেদের অবস্থান থেকে কি করছি, যা আমাদের অন্তরায়ঃ
১. সরকারি ভাবে যেভাবে ফ্রীল্যান্সিং কে তুলে ধরা হচ্ছে তা এই সেক্টরকে স্ফীত করে তুলতেছে।
২. বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার যেভাবে এড দিচ্ছে যেন মাউস টিপলেই টাকা – যত বেশি টিপতে পারবেন তত বেশী ডলার।
৩. যারা কাজ করতেছেন তাদের মধ্যেও একটা অংশ সেলিব্রেটি হতে চান বলে একের পর এক সেশন করে বেলুন ফুলিয়ে যাচ্ছেন।
যে যেভাবে পারতেছে মানুষের বিশ্বাস কে পুজি করে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে।
একবার এসেছিল ডেস্টিনি , প্রায় ঘরে ঘরেই ডেস্টিনি ঢুকেছিল কিন্তু টিকে থাকে নি বেশীদিন।
এরপর ডিজিটাল ডেস্টিনি হিসেবে ডুল্যান্সার , স্কাইল্যান্সার এসেছিল , টিকে নি।
আশা করছি এক সময় বিশ্বাস এর বাধ ভেঙ্গে যাবে।
আমাদের ইচ্ছা আছে কিন্তু সীমাবদ্ধতা অনেক এরই মাঝে এগিয়ে যাচ্ছি গুটি গুটি পায়ে ।
এই সপ্তাহে ২ জনের দেখা পেয়েছি, এদের মধ্যে একজন নামী প্রতিষ্ঠানে ২ টি কোর্স করলেও তা ফ্লপ হয়েছে।
একজন , গ্রাফিক্স এর কোর্স করেও বেকার।
আমার এতক্ষনের লিখা পড়ার পর আপনি ভাবছেন আমি ট্রেনিং সেন্টারকে দোষ দিচ্ছি ?
মোটেও না, আমি দোষ দিচ্ছি , আপনার নিজের অবিবেচক বিবেক আর বুদ্ধি হীনতার।

কেন?
কারন , আপনি কোর্স করার আগে একবারো ভেবে দেখেন নি আপনি ওই কাজ পারবেন কিনা ? শুনেছেন আর হুজুগে টাকা খরচ করেছেন ? সেই দায় ভার কেন অন্যের ঘাড়ে চাপাবেন ? আপনি ২০হাজার টাকা খরচ করে কোর্স করেছেন, অথচ বাসায় অনুশীলন করেন নি, নিজের দক্ষতা অর্জন করেন নি। অথবা যেখানে কম টাকা দেখেছেন সেখানে ভর্তি হয়েছেন ? আপনার কি মনে হয় — ১ হাজার টাকা বেশী নাকি ১০ হাজার টাকা বেশী । আপনাকে ১ হাজার টাকা দিলে আপনি কি ১০ হাজার টাকার মত খাটবেন ? তাহলে কিভাবে চিন্তা করেন ট্রেনিং সেন্টার আপনার জন্য ১০ হাজার টাকার শ্রম দিবে বা আপনার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করবে। (আপনি এমনটি ভেবেছেন বলেই আর নিজের কাজে সময় দেন নি বলেই নিজেই নিজেকে ঠকিয়েছেন।)

Share:

আউটসোর্সিং কি? যে সকল কারনে আপনার আউটসোর্সিং করা উচিত নয়


আউটসোর্সিং কি? যে সকল কারনে আপনার আউটসোর্সিং করা উচিত নয়

আপনার আউটসোর্সিং করা উচিত নয়। আজ আমি আউটসোর্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে যাচ্ছি।

যে সকল কারনে আপনার অনলাইনে আউটসোর্সিং করা উচিত নয়।
বাংলাদেশ থেকেও অনেকেই হাজার হাজার ডলার আয় করেন। তাদের অনেকের কাছে শিখতে গেলে দাবি করে মোটা অংকের টাকা।
এই পোস্টটি পড়ে আপনার জীবন পালটে যেতে পারে। সকলের মঙ্গলের জন্য অবশ্যই লেখাটুকু পরুন আর শেয়ার করুন।

আউটসোর্সিং কি?

যারা প্রথমে অনলাইনে আউটসোর্সিং করতে আসে তারা বেসিরভাগি যায়-

1. PTC/Adclick, Bitcoin, ইত্যাদি।

2. Visa, Cl/Cgaigslist traffic ইত্যাদি।

3. Link Shortner, Link share ইত্যাদি।

4. Blooging, Adsense, Youtube ইত্যাদি।

5. Upwork, freelancer, Fiver, Microworkers ইত্যাদি।

6. Affiliate Marketing, CPA Marketing.

এইবার এসকল সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

1. PTC/Adclick, Bitcoin ইত্যাদি-

সবথেকে বাজে এবং প্রতারনা হচ্ছে এইটি। এইটা দিয়ে কোনদিন ভালো ইনকাম করা সম্ভব নয় রেফারেল ছাড়া। সকলেই রেফারেল এর জন্য মাথা নস্ত করে কয়েকমাস খুব পরিশ্রম করে। কিন্তু যখন কয়েকমাস পরে সে বুঝতে পারে যে এইতা দিয়ে তার ইন্টারনেট এর খরচটায় উঠছেনা তখন অনলাইনে আউটসোর্সিং ইনকাম করার সাধ মিটে যায়।

2. Visa, Cl/craigslist traffic ইত্যাদি-

অনেকেই অনলাইনে আউটসোর্সিং / কোন মাধ্যমে কারো আন্ডারে এই কাজ গুলো করে থাকে। কিন্তু অবাক হলেও সত্য যে এইটারও কোন ভবিসসত নায়। কারন Affiliate Marketing, CPA Marketing এর জন্য আপনাকে গরুর মত খাটিয়ে নিচ্ছে কিন্তু আপনাকে কিছুই দিচ্ছে না। আর সবথেকে বড় কথা হল এইটা কোন লিগাল পথ না। আজ আছে কাল নাও থাকতে পারে।

3. Link Shortner, Link share ইত্যাদি –

আপনি যেকোনো লেখা, সফটওয়্যার এর ডাউনলোড লিঙ্ক Short করে নিবেন। এর ফলে এই লিঙ্কে অন্য কেও ক্লিক করলে ৫ সেকেন্ড এর একটা অ্যাড দেখবে এর ফলে আপনি .০০১- .০২ ডলার পাবেন। যারা অনলাইনে আউটসোর্সিং একেবারে নতুন বা কোন কাজ জানেন না তারা এইতা করতে পারেন। পাশাপাশি অন্ন কাজ গুলো শিখতে থাকবেন।

4. Blooging, Adsense, Youtube ইত্যাদি-

এইটা মুলত আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে, মানুষের উপকার করে বিভিন্ন লেখালেখি করবেন, ডাউনলোড লিঙ্ক দিবেন। আর এইখানে Adsense এর অ্যাড দেয়া থাকবে কেও এই অ্যাডে ক্লিক করলে .০১-২০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম হবে। তবে Youtube এ একটা মজা আছে সেইতা হল অ্যাডে কেও ক্লিক না করলেও আপনার ইনকাম হবে। যদিও সেইতা খুব সামান্ন তবে আজিবন সেইতা আস্তেই থাকে। অনলাইন এ কাজ করতে গেলে এইটা আপনি কখনই বাদ দিতে পারবেন না। আকারন এইগুলা খুবি কারজকরি ও প্রয়োজনিও জিনিস।

5. Upwork, freelancer, Fiver, Microworkers ইত্যাদি-

যারা খুব ভালো মানের কাজ জানেন তারা এইকাজ করে থাকেন। Upwork, freelancer, বিভিন্ন ক্রেতা তাদের প্রয়োজন মত কাজ (টেন্দার) ছাড়ে। আপনি যদি সেই কাজটি পেতে

চান তবে বিড করে কাজ পেতে হয়। প্রথম অবস্থায় কাজ কেও দিতে চায়না এর ফলে অনেকেই এতা অপছন্দ করেন। কিন্তু এইটা ১-১০০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভম।

Fiver রে ৫ ডলার এর ছোট ছোট কাজ থাকে এইখানে আপনি আপনার কাজ সম্পর্কে সকল তথ্য দিয়ে দিবেন কোন ক্রেতা সেই সেবা নিতে চাইলে আপনাকে কাজ দিবে তার ফলে আপনি ৫ ডলার পাবেন (১ ডলার Fiver কেটে রাখে) তবে এইটি টে কোন বিড করা লাগেনা।

Microworkers এ খুব ছোট সহজ কাজ থাকে। আপনি ইচ্ছা মত খুব সহজেই এই কাজ গুলো করতে পারেন। এইখান থেকে .১০-৫ ডলার এর কাজ থাকে।

6. Affiliate Marketing, CPA Marketing-

অনেকে আবার এসকল গণ্ডি পেরিয়ে আফফিলিয়েট ও সিপিয়ে মার্কেটিং সম্পর্কে আগ্রহি হয়। আর এই মাদ্ধমে ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে খুবি অভিজ্ঞ হতে হবে। আর উপরের সকল বিসয়েই খুব বেশি গ্যান থাকতে হবে। টাকা ছাড়া কখনই এইগুলা করা সম্ভব নয়।

কারন Affiliate Marketing, CPA Marketing করতে গেলে আপনাকে অ্যাডক্লিক সায়িটে বোকা মানুষদের দিয়ে ক্লিক করাতে হবে। আপনার নিজের ওয়েবসাইট থাকা লাগবে। আর অনেক কাজের জন্যই টাকা খরছ করতে হবে। ফ্রিতেঁ গেলে ইনকাম করতে ৫-৭ বছর পার হয়ে যাবে কিন্তু টাকার মুখ দেখতে পাবেন না। Affiliate Marketing, CPA Marketing করে প্রতিদিন ১০-১০০০০ ডলার ইনকাম করা সম্ভব।

এখন ভাবছেন, তাহলে আপনার কি করা উচিত?

আসুন আজ এই সুবিশাল কমিউনিটিতে, সঠিক পথে কিভাবে চলবেন সব কিছুই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমার জীবনের সকল অভিজ্ঞতা।

আমারা বাঙ্গালিরা এততাই খারাপ যে নিজেরা নিজেদের পেটে লাথি মারি। আজ আমাদের মাঝে কোন একতা নেই,

নিজে কিছু জানলে কাওকে বলিনা হিংসা করে। কেও আবার এই গুলাকে সিক্রেট টিউটোরিয়াল করে বিক্রি করছি।

২০১২ তেঁ টিভি তে পাকিস্তানী চ্যানেলে একটা খবরে দেখেছিলাম। সেইটা ছিল “পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন ছোট্ট একটি দেশ বাংলাদেশ,

কিন্তু আজ সেই বাংলাদেশ অনলাইন ইনকামের দিক থেকে পাকিস্তানের থেকে অনেক এগিয়ে”।

কিন্তু ২০১৬ তেঁ সেইটা অনেক পালটে গেছে। এখন এশিয়ার মধ্যে পাকিস্থান সব থেকে এগিয়ে আছে।

কারন নিজেদের মধ্যে তারা কখন প্রতারনা করে না, করলে অন্যদের সাথে করে। একে অন্নের মধ্যে জ্ঞান আদান প্রদান

করে আজ তারা অনেক উপরে আছে। আমি নিজে বিসসাস করি যে জ্ঞান দান করলে কারো জ্ঞান কমে না,

বরং আলছনার মাদ্ধমে তা আর বাড়ে। নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনার ভাগ্য/কপাল কেও কি নিতে পারবে?

সেইটা মহান আল্লাহ তাআলার হাতে। আর বাংলাদেশে অনেকেই প্রতারিত হয়ে, সঠিক পথ না পেয়ে অনলাইনে,

ইনকামের কথা শুনলে বিরক্তি প্রকাশ করে। কিন্তু এখন থেকে তা আর আমি হতে দিব না।

আজ আল্লাহ আমাকে এতটা জ্ঞান দিয়েছেন, শুধু ভালো কাজের জন্য। মানুষের উপকার করলে, আল্লাহ সেটার বিনিময়ে আর ভালো কিছুই দেন।

যদি নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করতে চান, ভালো মানসিকতা নিয়ে সামনে এগুতে চান, তাহলে যোগ দিন আমাদের এই কমিউনিটিতে।

ভাবছেন কত টাকা না সেই আবার চেয়ে বসে?না আমি কোন টাকা নিতে চাইনা। আর যেইদিন চাইব সেইদিন ভাববেন আমার সততা নষ্ট হয়ে গেছে।

যারা অনেক অভিজ্ঞ আছেন তাদেরকে আমি অনুরধ করব এই অসহায় মানুষগুলোর জন্য একটু সময় দিতেঁ।

আমার মতে প্রথমে

Blooging, Adsense, Youtube, Fiver, Link Shortner এইগুলো একসাথে মিলেয়ে কাজ করা উচিত।



Affiliate Marketing, CPA Marketing সহ সকল কিছুই ধারাবাহিকভাবে করব।

কিভাবে এইগুলো থেকে আয় করবেন, বিদেশি ডলার দিয়ে নিজেকে সচ্ছল এবং সমৃদ্ধ করবেন, এসকল প্রশ্নের জন্য আমদের গ্রুপে জয়েন করেন।

আমার বানানো কিছু Youtube ভিডিও দেখে নিন Youtube চ্যাঁনেল থেকে। আসুন জেনে নিই

অনলাইন আয়ের A to Z, আর কাজ করা শুরু করি আজ থেকেই।

এর জন্য আপনার যা যা লাগবে-

১ টি কম্পিউটার/ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট,

কিছু কম্পিউটার Software,

Gmail ID লাগবে

YouTube Channel তৈরী করা,

AdSense এ Apply করা

নিয়মিত ভিডিও তৈরী করা

ভিডিও আপলোড করা

ভিডিও শেয়ার করা

লিস্ট দেখে ভয় পাবেন না, আপনারা যারা আমার পোস্ট পড়ছেন তাদের প্রায় সবারই ডেস্কটপ/ ল্যাপটপ আছেই আর লাগবে ইন্টারনেট। আর একটা বিষয় লাগবে তা হলো আপনার আগ্রহ বা ইচ্ছা। চিন্তার কোন কারন নাই, আমি আপনাদের ভিডিও নিয়ে কাজ করবেন তা আজিবন ফ্রিতে দেখাব। আমি আপনাদের জন্য প্রতিটি বিষয় খুব সহজভাবে আলোচনা করেছি, আমার পোস্ট শেষে লিঙ্ক দিব।[আমার এই ছোট্ট পোস্টটি মনযোগ এবং গুরুত্বসহকারে পড়বেন, আশা করি আপনি সফল হবেন]

শুরু করা যাক-

জিমেইলঃ প্রথমে লাগবে Gmail ID, আশা করি সবারই আছে। যাদের নাই ভাববেন না আমার আর হলো না। একটা জেমিইল আইডি খোলা খুব সহজ, সাথে থাকুন আমি আছি।

ইউটিউব চ্যানেলঃ YouTube এ গিয়ে সাইন ইন করে একটা Channel তৈরী করুন। একাউন্ট তৈরী করার সময় যেকোন নাম না দিয়ে এমন নাম দেন যার সার্চ বেশী হয়, চ্যানেল নেম খুব গুরুত্বপুর্ন।

ভিডিও তৈরীঃ আপনি আপনার কম্পিউটার স্ক্রিন ক্যাপচার করতে পারেন। স্ক্রিন ক্যাপচার এবং ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার যদি লাগে আমি দিব।

Partnar ভেরিফাইডঃ আপনার ইউটিউব চ্যানেলে সেটিং থেকে আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফাইড করে নিতে হবে।ভেরিফাইড হলে আপনি Youtube Partnar হয়ে যাবেন।

ভিডিও আপলোডঃ আপনার চ্যানেলে ভিডিও আপলোড দিবেন। অবশ্যই আপলোড দেওয়ার সময় আপনারা ভালো টাইটেল,ট্যাগ এবং ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটা দিয়ে দিবেন। আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশন এর সাথে আপনার ওয়েবসাইটের URL,Facebook page/Group/Twitter দিয়ে দিবেন।

Google AdSense: আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন, বা আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হয় তাহলে আপনি ইউটিউবের অ্যাডসেন্স পার্টনারশিপ থেকেই একটা অফার পেতে পারেন। অথবা আপনি Country চেঞ্জ করে YouTube এর মাধ্যমে খুব সহজেই Google AdSense অনুমোদন পাওয়া যায়।




Share:

Unordered List

Theme Support